- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ঘরে আজ রাতে কেউ নেই। রাতে একা থাকা এক অর্থহীন ব্যাপার। এই অর্থহীনতায় অর্থ আরোপ করতে হয়। বয়সভেদে আরোপ করা অর্থগুলো ভিন্ন হয়। একটা বয়সে বাসায় কেউ না থাকলে ফ্রিজ খুলে নিষেধ করা খাবারগুলো খাওয়াই ছিল আনন্দের। বয়সটা আরেকটু বাড়লে ফ্রিজ থেকে টেলিভিশন। যে চ্যানেলগুলো ছোটদের দেখা নিষিদ্ধ ছিল, সেগুলো দেখার উত্তেজনার ছিল সীমাহীন। আরও বাড়লে বয়স, টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত হয় ভিসিআর, সঙ্গে নীল ছবির ক্যাসেট। স্কুলজীবনে গুপ্ত বাবুও অনেকের নিঃসঙ্গতা ঘুচিয়েছেন। তিনি এক মহান মানুষ। বয়স বাড়তে থাকলে অর্থময়তার সংজ্ঞা বদলে যায়। মনে হয়, বাসায় কেউ না থাকা মানে বান্ধবীকে আমন্ত্রণ জানানো, একটু গায়ে গা ঠেকিয়ে বসা। কৈশোর থেকেই আমার আলাদা ঘর। বান্ধবী-ভাগ্যও খারাপ না। একজন, দুজন আবার কখনও তিন-চারজনও এসেছে। তাদের সঙ্গে নির্জলা আড্ডা আর প্রাণখুলে হাসাহাসি সহ্য করেনি কেউ কেউ। মায়ের কাছে তা নিয়ে নালিশও দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘আন্টি জানেএএএএ-ন, আপনার ছেলে না ঘরের ভেতর কি করছে? মেয়েদের সঙ্গে গোল্লাছুট খেলছে!’ মা আমার উদারতার দেবতা। বলতেন, ‘খেলুক না বাবা। ছেলেমানুষ, তার ওপর আবার বোন-টোন নেই!’ আমার বান্ধবী-ভা...